লম্বা যাত্রায় ছোট অগ্রাহ্য সমস্যাগুলো বড় রাস্তার সমস্যায় পরিণত হয়। মূল নিয়ম সহজ: চেকগুলো যাত্রার আগের দিন করুন, সকালে নয়। আগের দিন যা পাবেন সেটা কর্মশালা যাত্রা; সকালে যা পাবেন সেটা দেরি।
দরজার জ্যাম্বে লেখা স্পেসিফিকেশনে ঠান্ডা অবস্থায় প্রেসার চেক করুন — শেষ যে দিয়েছে সে যা দিয়েছে সেটা নয়। ট্রেড দেখুন পুরো চওড়া জুড়ে, শুধু মাঝে নয় — কিনার ওয়্যার ইন্ডিকেটর পর্যন্ত ক্ষয়িত টায়ার মাঝে ভালো দেখালেও শেষ। এরপর বুট খুলে স্পেয়ারেও প্রেসার আছে কিনা দেখুন — চ্যাপ্টা স্পেয়ার মানে স্পেয়ার নেই।
একা ব্রেক লাইট চেক করা যায় না। পরিবারের কাউকে পিছনে দাঁড়াতে বলুন, পেডাল চাপুন, তারপর বাম-ডান ইন্ডিকেটর, রিভার্স লাইট, হাই বিম — সব দেখুন। কারো সন্ধ্যার দশ মিনিট অন্ধকার রাস্তায় রাতে থামা প্রতিরোধ করে।
একটি কার্ডে নম্বরগুলো লিখে গ্লাভবক্সে রাখুন: ঘর, স্ত্রী/স্বামী, আপনার নিয়মিত কর্মশালা, বীমার কলআউট, এবং দেশের যেকোনো প্রান্তে একজন বন্ধু। ফোন মরে, চার্জার নষ্ট হয়, স্ক্রিন ভাঙে। খামে ভাঁজ করা একটি কার্ড সবসময় কাজ করে। বছরে একবার নতুন করে লিখুন।