প্রত্যেক মালিকের যেসব মৌলিক টুল দরকার
একটি ছোট ঘরোয়া টুলকিট প্রথমবার একটি কলআউট, টো বা রাতে আটকে পড়া বাঁচালেই দাম উঠে আসে। কর্মশালা লাগবে না — মালিক আসলে যে পরিস্থিতিগুলোতে পড়েন সেগুলোর জন্য পাঁচটি জিনিসই যথেষ্ট।
পাঁচটি অপরিহার্য
- একটি টর্চ — ব্যাটারি আলাদা রাখুন যাতে টর্চ ফ্ল্যাট হলে সেগুলো ফ্ল্যাট না হয়।
- একটি টায়ার প্রেশার গেজ — জ্বালানি স্টেশনের পাম্পে লাগানোটি প্রায়ই ক্যালিব্রেশনের বাইরে।
- জাম্প লিড — আপনার ইঞ্জিন সাইজের জন্য যথেষ্ট মোটা; সস্তায় বিক্রি হওয়া খুব পাতলা সেটগুলো বন্ধ গাড়ি চালু করতে পারবে না।
- একটি বেসিক কম্বিনেশন স্প্যানার সেট — অন্তত ব্যাটারি টার্মিনাল ও হুইল নাটের সাইজ ফিট করে এমন।
- হুইল নাটের জন্য একটি টর্ক রেঞ্চ — যেটা বেশিরভাগ মালিক এড়িয়ে যান এবং বেশিরভাগ কর্মশালা ভুল ব্যবহার করে।
টর্ক রেঞ্চ কেন গুরুত্বপূর্ণ
হুইল নাটের একটি নির্দিষ্ট টর্ক থাকার কারণ আছে। বেশি টাইট হলে ডিস্ক বেঁকে যায় এবং এক মাস পরে পেডালে কাঁপুনি টের পাবেন। কম টাইট হলে হুইল আলগা হয়ে যায়। ইমপ্যাক্ট গানওয়ালা টায়ার-দোকান কর্মী ইচ্ছা করে এসব করেন না — তিনি পরের গাড়িতে চলে যান। কোনো হুইল খোলার পরে নিজে টর্ক রেঞ্চ ব্যবহার করলে সেই ফাঁকটা বন্ধ হয়।
প্রথম দিন যা কেনার দরকার নেই
- এয়ার কম্প্রেসর — জরুরি অবস্থার জন্য ম্যানুয়াল ফুট পাম্পই যথেষ্ট; সাপ্তাহিক প্রেশার চেক করেন ও পেট্রল পাম্প অপছন্দ করলে তবেই বৈদ্যুতিকটি কিনুন।
- ইমপ্যাক্ট গান — ঘরে ব্যবহার বিরল এবং ভুল টর্ক যতগুলো হুইল বাঁচাবে তার চেয়ে বেশি নষ্ট করবে।
- OBD স্ক্যানার — যখন সত্যিই ওয়ার্নিং লাইট আসে ও থাকে তখন কিনুন, তার আগে নয়।
- ফুল সকেট সেট — আপনি ছয়টি সাইজ ব্যবহার করবেন; বাকি তিরিশটা মরচে ধরবে।
কিটটি কোথায় রাখবেন
কিট তখনই কাজে আসে যখন যেখানে গাড়ি বিকল হয়েছে সেখানেই থাকে, তাই বেশিরভাগই গাড়িতেই থাকা উচিত — ঘরের তালাবদ্ধ আলমারিতে নয়। টর্চ ও জাম্প লিড রাখুন বুটের হাতের নাগালের পকেটে, স্পেয়ার হুইলের নিচে পুঁতে নয়। টর্ক রেঞ্চ ঘরে রাখলেই চলে কারণ সেটা হুইল বদলের পরে লাগে, বদলের সময় নয়। বছরে দুবার টর্চের ব্যাটারি চেক করুন — রাত ১১টায় রাস্তার ধারে মৃত টর্চ মানে কোনো টর্চ না থাকা।