গাড়ি চালু হচ্ছে না — প্রথমে কী চেক করব?
চাবি ঘোরান: কিছুই হচ্ছে না = সাধারণত ব্যাটারি (ভেতরের লাইট ম্লান? জাম্পার কেবল চেষ্টা)। দ্রুত ক্লিক = ব্যাটারি ক্র্যাঙ্ক করতে খুব দুর্বল। ক্র্যাঙ্ক হচ্ছে কিন্তু ফায়ার হচ্ছে না = ফুয়েল বা ইগনিশন। গতকাল ভালো চলছিল এবং এখন সব নীরব = প্রায় সবসময় ব্যাটারি।
টেম্পারেচার গেজ লালে — গাড়ি চালিয়ে যাব?
না। নিরাপদে পাশে থামান এবং এক মিনিটের মধ্যে ইঞ্জিন বন্ধ করুন। চলতে থাকলে সিলিন্ডার হেড বেঁকে যায় — পাঁচ লাখ টাকার ভুল। বনেট খুলে গরম বেরোতে দিন (অন্তত ৩০ মিনিট রেডিয়েটর ক্যাপ ছোঁবেন না)। থামার পর সাহায্যের জন্য কল করুন।
টায়ার পাংচার — রাস্তায় বদলানো কি নিরাপদ?
শুধুমাত্র রাস্তা থেকে সম্পূর্ণ সরে সমতল জায়গায়। হাইওয়ের শোল্ডার যথেষ্ট নয় — সার্ভিস লেন, পেট্রোল পাম্প, বা পাশের রাস্তায় যান। ট্র্যাফিক পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার দিকে টায়ার বদলাবেন না। নিরাপদ জায়গায় পৌঁছাতে না পারলে, পাংচার নিয়েই ধীরে চালান — নষ্ট রিম জীবনের চেয়ে সস্তা।
ওয়ার্নিং লাইট জ্বলল — কি জরুরি?
লাল বা ঝলকানি = শীঘ্রই থামুন ও চেক করুন (অয়েল, কুল্যান্ট, ব্রেক, ব্যাটারি)। হলুদ/অ্যাম্বার স্থির = পরের এক-দুই দিনের মধ্যে সাবধানে মেকানিকের কাছে যান। শুধু চেক-ইঞ্জিন লাইট আর গাড়ি স্বাভাবিক চলছে = সড়ক জরুরি অবস্থা কমই, কিন্তু সপ্তাহের পর সপ্তাহ উপেক্ষা করবেন না।
নতুন অদ্ভুত শব্দ — কতটা জরুরি?
ব্রেক থেকে ধাতব গ্রাইন্ডিং = পাশে থামান, তীব্র হলে টো করান। গতির সাথে বদলানো ছন্দময় ক্ল্যাঙ্ক = হুইল বেয়ারিং বা CV জয়েন্ট, শীঘ্রই মেকানিকের কাছে। বনেটের নিচে হিসহিস = কুল্যান্ট বা ভ্যাকুয়াম লিক, থামুন ও চেক করুন। গর্তে পড়ার পর শুরু হওয়া যেকোনো শব্দ একই দিনে পরিদর্শন।