ব্যবহৃত গাড়ি কেনা — পরিদর্শন চেকলিস্ট
কোনো ব্যবহৃত গাড়ি, মোটরসাইকেল বা সিএনজি থ্রি-হুইলারের জন্য টাকা দেওয়ার আগে নিচের চেকগুলো নিজে করুন বা এই তালিকা একজন মেকানিকের হাতে দিন। প্রতিটি বিষয় এমন পার্টের সাথে জড়িত যা আপনি হয় শীঘ্রই বদলাবেন, নয়তো পরে বাজেটে রাখবেন।
ধাপ ১ — পরিচয় নিশ্চিত করুন
গাড়ির VIN বা চ্যাসিস নম্বর রেজিস্ট্রেশন কাগজের সাথে মেলান। VIN ডিকোড করে মডেল বছর ও ইঞ্জিন বিক্রেতার বর্ণনার সাথে মেলে কিনা দেখুন। যেকোনো অমিল মানে থামুন।
ধাপ ২ — দেখার মতো দশটি ওয়্যার আইটেম
- ব্রেক প্যাড ও ডিস্ক — পুরুত্ব এবং রোটরের কিনারায় লিপ।
- টায়ার — ট্রেড গভীরতা, সাইডওয়ালে ফাটল, একই এক্সেলে একই ব্র্যান্ড।
- টাইমিং বেল্ট — সর্বশেষ কবে বদলানো হয়েছে জিজ্ঞাসা করুন, ফাটল দেখুন।
- ব্যাটারি — টার্মিনাল পরিষ্কার, ফুলে নেই, তারিখ স্টিকার দেখুন।
- এয়ার ফিল্টার ও কেবিন ফিল্টার — নোংরা হলে সমস্যা নেই, ভেঙে গেলে অবহেলার লক্ষণ।
- ওয়াইপার ব্লেড — দাগ ফেললে অবিলম্বে বদলাতে হবে।
- বাল্ব — প্রতিটি হেডলাইট, টেইল লাইট, ইন্ডিকেটর, ব্রেক লাইট।
- ড্রাইভ বেল্ট — ফাটল বা রিবড দিকে চকচকে গ্লেজ।
- সাসপেনশন বুশ — স্পিড ব্রেকারে ঠক্ ঠক্ শব্দ বলে দেবে।
- এক্সহস্ট — লিক, কাঁচের ছাপ, জয়েন্টে জং।
ধাপ ৩ — ফ্লুইড সত্য বলে
- ইঞ্জিন অয়েল — মধুরঙ থেকে হালকা বাদামী ঠিক আছে, কালো ও দানাদার মানে অবহেলা।
- কুল্যান্ট — উজ্জ্বল রঙ, উপরে তেলের আস্তরণ নেই, জং নেই।
- ব্রেক ফ্লুইড — স্বচ্ছ থেকে হালকা হলুদ, গাঢ় বাদামী মানে বদলানোর সময় পেরিয়ে গেছে।
ধাপ ৪ — বাজেট ভাগ করুন: প্রথম মাস বনাম প্রথম বছর
প্রথম মাসের আইটেমগুলো এমন ওয়্যার পার্ট যা গাড়িকে আজ নিরাপদ রাখে: ফ্লুইড, ফিল্টার, ব্রেক প্যাড ক্ষয় থাকলে, বাল্ব, ওয়াইপার, ব্যাটারি পুরনো হলে।
প্রথম বছরের আইটেমগুলো বড় কাজ যা পরিকল্পনা করে করা যায়: টাইমিং বেল্ট প্রয়োজন হলে, সাসপেনশন বুশ, টায়ার অর্ধেক আয়ু পেরিয়ে গেলে, ক্লাচ পিছলে গেলে।
কখন সরে আসবেন
- VIN বা চ্যাসিস নম্বর কাগজের সাথে মিলছে না।
- চ্যাসিস রেলে নতুন ওয়েল্ডের চিহ্ন।
- ভেতরে ভ্যাপসা গন্ধ, ডোর কার্ডে পানির দাগ — বন্যার ক্ষতি।
- কোনো সার্ভিস বুক নেই, রসিদ নেই, কোনো সার্ভিস ইতিহাস নেই।