জেনুইন পার্ট কেমন দেখতে
একটি চতুর নকল পার্ট বক্সের ছবিটা কপি করে। খুব কমই পার্টের নিজের ফিজিক্যাল ডিটেইল কপি করে। কুরিয়ার প্যাকেজ হাতে দেওয়ার প্রথম পাঁচ মিনিটে সতর্ক ক্রেতা যেসব বিষয় পরীক্ষা করেন — এগুলো তার তালিকা।
প্যাকেজিং
- কারখানার সীল অক্ষত, পুনরায় টেপ লাগানো নয়।
- পার্ট নম্বর বাক্সে ছাপা — অন্য নম্বরের উপর স্টিকার নয়।
- স্পষ্ট, দাগহীন কালি; ম্লান বারকোড নেই; সঠিক ব্র্যান্ড বানান — সবচেয়ে সাধারণ নকল ভুল এটাই।
পার্ট নিজেই
- সমান কাস্টিং — খসখসে সিম নেই, প্রিসিশন সারফেসে দৃশ্যমান মোল্ড ফ্ল্যাশ নেই।
- মেশিন করা সারফেস পরিষ্কার ও সমান; সিলিং সারফেস চাটার-মার্ক ছাড়া ফ্ল্যাট।
- পার্টে ছাপা পার্ট-নম্বর বাক্সের সাথে হুবহু মেলে — রিভিশন সাফিক্স সহ।
- হাতে ওজন OEM রেফারেন্সের মতো — ফাঁপা-অনুভূত কপি সাধারণ চিহ্ন।
ভেতরের ডকুমেন্ট
- একটি অথেনটিসিটি কার্ড বা QR কোড যা প্রকৃতপক্ষে নির্মাতার পেজে যায় — ভাঙা লিংক বা ফটোকপি স্লিপ নয়।
- জান্ত্রো বাজার দোকানের ইনভয়েস — সবসময় রেখে দিন; এটা আপনার ওয়ারেন্টি প্রমাণ।
তিনটি দরজা-চেক — সাইন করার আগে
- ১. বাইরের বাক্স অক্ষত, সীল ভাঙা নয়, পার্ট নম্বর আপনার অর্ডারের সাথে মেলে।
- ২. পার্টের ব্র্যান্ড চিহ্ন দেখার মতো খুলুন — সম্পূর্ণ আনপ্যাক পরে করলেও চলে।
- ৩. কিছু সন্দেহজনক মনে হলে, আর খোলার আগে সব ছবি তুলে রাখুন।
কিছু সন্দেহজনক হলে
ইনস্টল করবেন না। প্যাকেজিং ফেলবেন না। বাইরের বাক্স, সীল, পার্ট এবং পার্ট নম্বর স্ট্যাম্পের ছবি তুলুন। প্রথমে দোকানের সাথে যোগাযোগ করুন — বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেখানেই সমাধান হয়। দোকান সমাধান করতে না পারলে ওয়ারেন্টি ক্লেইম করুন; ছবিগুলো আপনার প্রমাণ হয়ে দাঁড়াবে।